দুনিয়ার সুখ সুখ না, জান্নাতের সুখই আসল সুখ

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কোন কাজটি আল্লাহর নিকট সবচাইতে প্রিয়? তিনি বললেন, ‘ঠিক সময়ে নামায আদায় করা।’ তিনি (আবদুল্লাহ) পুনরায় বললেন, এরপর কোন কাজটি আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়? নবী (সাঃ) বললেন, ‘পিতামাতার সেবা ও আনুগত্য করা। তিনি আবারও জিজ্ঞেস করলেন, এরপর কোন কাজটি? জবাবে নবী (সাঃ) বললেন, ‘আল্লাহর পথে জিহাদ করা।

দুনিয়া ক্ষনস্থায়ী, নিশ্চই আমিও দুনিয়ায় ক্ষনস্থায়ী

“ তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, মানুষের(কল্যাণের) জন্য তোমাদেরকে বের করা হয়েছে। তোমরা মানুষকে সৎ কাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করবে।” -সূরা আল-ইমরান, আয়াত-১১০

দুনিয়ার দুঃখ দুঃখ না, জাহান্নারের দুঃখ আসল দুঃখ

হযরত আনাস ইবনে মালেক (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি আমাকে দেখেছে এবং আমার উপর ঈমান এনেছে তার জন্য তো একবার মোবারকবাদ। আর যে আমাকে দেখে নাই তারপরেও আমার উপর ঈমান এনেছে তাকে বারবার মোবারকবাদ - মুসনাদ আহমাদঃ ৩/১০০

নামাজ বেহেস্তের চাবি

রাসুলে পাক (সা:) বলেছেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমার উম্মতের উপর সর্বপ্রথম নামাজ ফরজ করেছেন এবং কেয়ামতের দিন সবার আগে নামাজের হিসাব নয়া হবে।

কালেমা পড়ি, ঈমান আনি, বলি আমি মুসলিম

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কোন কাজটি আল্লাহর নিকট সবচাইতে প্রিয়? তিনি বললেন, ‘ঠিক সময়ে নামায আদায় করা।’ তিনি (আবদুল্লাহ) পুনরায় বললেন, এরপর কোন কাজটি আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়? নবী (সাঃ) বললেন, ‘পিতামাতার সেবা ও আনুগত্য করা। তিনি আবারও জিজ্ঞেস করলেন, এরপর কোন কাজটি? জবাবে নবী (সাঃ) বললেন, ‘আল্লাহর পথে জিহাদ করা।

Saturday, October 17, 2015

দশটি সূরা মুসলমানদের দশটি আপদ -বিপদ হতে রক্ষা করে।


দশটি সূরা মুসলমানদের দশটি আপদ -বিপদ হতে রক্ষা করে   
    
 () সূরা ফতিহা আল্লাহর গজব হতে রক্ষার কারণ হয়
() সূরা ইয়াসীন কিয়ামতের দিন পিপার্সাত হওয়া থেকে রক্ষার মাধ্যম হবে
() সূরা দুখান কিয়ামতের দিনের ভয়াল অবস্থা হতে রক্ষার মাধ্যম হবে
() সূরা ওয়াকিআ  দরিদ্রতা হতে রক্ষার কারণ হয়
() সূরা মূলক কবরের আযাব হতে রক্ষার মাধ্যম হবে
() সূরা কাওসার শত্রুর অনিষ্ট হতে রক্ষার কারণ হয়
() সূরা কাফিরুন মৃত্যুর সময় কুফরী হতে রক্ষার কারণ হয়
() সূরা ইখলাস মুনাফিকী হতে রক্ষার কারণ হয়
() সূরা ফালাক হিংসুকের হিংসার হতে রক্ষার কারণ হয়

(১০) সূরা নাস যাবতীয় ওয়াসাওয়াসা হতে রক্ষার কারণ হয়

মহানবী (সা) বিপদের সময় এই ৩টি দোয়া পাঠ করতে বলেছেন


মহানবী (সা) বিপদের সময় এই ৩টি দোয়া পাঠ করতে বলেছেন
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠাকালে বহু বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। বেশ কয়েকবার কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। অনেক জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার পাড়ি দিয়ে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপদের সময় মহানবী (সা.) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতেন সেই দোয়াগুলো উম্মতদেরও পাঠ করাতে বলেছেন।
দোয়া ৩টি হলো-
১। সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রা. বলেন, নবীজি সা. দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন :
লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন। (দোয়া ইউনূস)
অর্থ : একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০)
২। আসমা বিনতে ওমাইর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে। সাহাবী বললেন, অবশ্যই শেখাবেন। নবীজি বললেন, দোয়াটি হচ্ছে : ‘আল্লাহু আল্লাহ রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’
অর্থ : আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না। (আবু দাউদ : ১৫২৫)
৩। আনাস রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন :
আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা।
অর্থ : ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও। (ইবনে হিব্বান : ৯৭৪)
[আওয়ার নিউজ ডেস্ক থেকে সংগৃহীত }
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠাকালে বহু বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। বেশ কয়েকবার কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। অনেক জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার পাড়ি দিয়ে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপদের সময় মহানবী (সা.) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতেন সেই দোয়াগুলো উম্মতদেরও পাঠ করাতে বলেছেন।
দোয়া ৩টি হলো-
১। সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রা. বলেন, নবীজি সা. দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন :
লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন। (দোয়া ইউনূস)
অর্থ : একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০)
২। আসমা বিনতে ওমাইর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে। সাহাবী বললেন, অবশ্যই শেখাবেন। নবীজি বললেন, দোয়াটি হচ্ছে : ‘আল্লাহু আল্লাহ রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’
অর্থ : আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না। (আবু দাউদ : ১৫২৫)
৩। আনাস রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন :
আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা।
অর্থ : ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও। (ইবনে হিব্বান : ৯৭৪)

[আওয়ার নিউজ ডেস্ক থেকে সংগৃহীত }

Monday, October 5, 2015

মসজিদ কি উচ্ছেদ করা যায়

মসজিদ কি উচ্ছেদ করা যায়


স্টাফ রিপোর্টার : সম্প্রতি সরকারী জায়গায় নির্মিত মসজিদ উচ্ছেদ ও স্থানান্তর বিষয়ে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে বলে শোনা গেছে। বাংলাদেশের চার লাখেরও বেশি মসজিদের মধ্যে অনেক মসজিদই সরকারী নানা সংস্থা, প্রতিষ্ঠান ও খাস জমিতে স্থাপিত। এসব মসজিদের বিষয়ে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে শরীয়তের নির্দেশনা কী, এ নিয়ে দেশের শীর্ষ ফতোয়া প্রতিষ্ঠানের ইসলামী ফিকাহবিদদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, মসজিদ কখনই উচ্ছেদ করা যায় না। স্থানান্তর করার ক্ষেত্রেও রয়েছে কঠোর বিধি-নিষেধ। যে স্থানে একবার মসজিদ হয়ে যায় কিয়ামত পর্যন্তই এটি মসজিদ হিসেবেই গণ্য হবে। শরীয়তসম্মত প্রয়োজনে তা স্থানান্তর করা হলেও পূর্ববর্তী জায়গাটি মসজিদ রূপেই সম্মান ও পবিত্রতা সহকারে সুরক্ষিত রাখতে হবে।রাজধানীর খ্যাতনামা ইসলামী আইন গবেষক, মারকাজুল ফিকাইল ইসলামীর পরিচালক আল্লামা মুফতি নূরুল আমিন এ বিষয়ে দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, পবিত্র কোরআনের ভাষায়, তারাই মসজিদ আবাদ করে যারা আল্লাহ ও আখেরাতে বিশ্বাসী। আর যারা মসজিদের কাজে বাধা দেয়, তারা সৃষ্টির নিকৃষ্ট শ্রেণী। নবী করীম (সা.) বলেছেন, গোটা পৃথিবীর সমস্ত জমিনকে আমার জন্য পবিত্র ও মসজিদ স্বরূপ করে দেয়া হয়েছে। সুতরাং মসজিদ বানানোর ক্ষেত্রে জমিনের পবিত্রতা ও প্রকৃত মালিকানার শর্তসাপেক্ষে কোন বাধা নেই। কোন ব্যক্তির জায়গা অন্যায়ভাবে দখল করে মসজিদ নির্মাণ শরীয়তে অনুমোদিত নয়। মসজিদ হতে হবে ক্রয়কৃত নিষ্কণ্টক বা দানকৃত নির্ঝঞ্ঝাট স্থানে। পূর্ণাঙ্গ মসজিদ হওয়ার জন্য ওয়াকফ বা দানকৃত হওয়া জরুরী।কোন রাষ্ট্রে নাগরিকদের ধর্মীয় কাজকর্ম পালনের জন্য সকল ব্যবস্থা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ইসলামী ব্যবস্থায় নাগরিকদের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ নির্মাণ করা সরকারের প্রধানতম দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। যদি সরকার তা না করে তবে মুসলিম জনসাধারণের উপর এ দায়িত্ব বর্তায়। বাংলাদেশের প্রায় সব মসজিদই জনসাধারণের উদ্যোগে নির্মিত। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ও সামাজিক উদ্যোগে ক্রয়কৃত কিংবা দানে পাওয়া জায়গা যেমন রয়েছে সরকারী খাস জমি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারী জমিতেও মসজিদ রয়েছে। এসব মসজিদই বৈধ এবং অনুমোদিত। সরকারের উপর প্রদত্ত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নামাজিরা কিছুটা হলেও আদায় করেছেন বলেই এসব মসজিদ তারা গড়ে তুলেছেন। শরীয়তসম্মত কারণ ছাড়া এ ধরনের মসজিদ স্থানান্তর করা বৈধ হবে না। উচ্ছেদের তো প্রশ্নই ওঠেনা। কোন বৃহত্তর স্বার্থে মসজিদ স্থানান্তর করতে হলে ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক্রমে উপযুক্ত স্থানে নতুন মসজিদ নির্মাণ করে দিতে হবে এবং পূর্ববর্তী মসজিদের শরীয়াভিত্তিক আইনগত অবস্থান বিবেচনা করে ওই জায়গাটির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ওয়াকফকৃত মসজিদ হলে ওখানে আর কোনকিছু নির্মাণ করা বৈধ হবে না। মসজিদের মতই এর সুরক্ষা, সম্মান ও পবিত্রতা নিশ্চিত করতে হবে।বাংলাদেশে সড়ক ও জনপথ, রেলওয়ে, নৌ-পরিবহন, বিভিন্ন কর্পোরেশন ইত্যাদির যত জায়গায় সাধারণ জনগণ নামাজ পড়ার জন্য মসজিদ নির্মাণ করেছেন সরকারের কর্তব্য সেসব জায়গা স্থায়ীভাবে নামাজের জন্য বরাদ্দ দেয়া। উচ্ছেদ করার চিন্তা যৌক্তিক বা শরীয়তসম্মত নয়।একটি কথা স্পষ্ট হওয়া উচিত যে, কোন মসজিদই উচ্ছেদ করা যায় না। যদি সম্পূর্র্ণ অন্যায়ভাবে কোন ব্যক্তির জায়গা দখল করে কেউ মসজিদ নির্মাণ করে তাহলে সে মসজিদ নির্মাণই বৈধ হয়নি। এটি মূল মালিককে ফিরিয়ে দেয়া মসজিদ উচ্ছেদ বলে বিবেচিত হবে না। শরীয়তসম্মত কারণে প্রতিষ্ঠিত মসজিদ স্থানান্তরের মাসআলাও অত্যন্ত জটিল ও সতর্কতাপূর্ণ। হেলাফেলা করে মসজিদ স্থানান্তর শরীয়তে অনুমোদিত নয়। একবার মসজিদ চালু হলে তা বন্ধ বা উচ্ছেদ করা জায়েজ নয়। জমির মালিক যদি রাষ্ট্র, সরকার বা জনসাধারণ হয় তাহলে এতে মসজিদ নির্মাণে কোন বাধা নেই। কারিগরি কোন বাধা থাকলে তা দূর করে মসজিদকে নিষ্কণ্টক ও নির্বিঘœ করাই সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব। কোন বড় পরিকল্পনা বা জাতীয় কাজে যদি অগত্যা মসজিদ স্থানান্তর করতে হয় তাহলে তা হতে হবে শরীয়া বিশেষজ্ঞ আলেম, মুফতি ও ফিকাহবিদদের পরামর্শ সাপেক্ষে। একবার মসজিদ হয়ে গেলে শরীয়তসম্মত কারণ ছাড়া এর স্থানান্তর জায়েজ নয়। উচ্ছেদ তো কোনক্রমেই বৈধ হতে পারে না।   

Copyright Daily Inqilab

দুনিয়ার জীবন আমলের - আর -আখেরাতের জীবন ফল ভোগের

দুনিয়ার জীবন আমলের - আখেরাতের জীবন ফল ভোগের


পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, যে বিষয়ে তোমাদের জানা নেই, সে বিষয়ে যারা জানে তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে নাও জন্য যে, তোমাদের দুনিয়ার জীবন হলো আমলের জীবন আর আখেরাতের জীবন হলো আমলের ফল উপভোগ করার জীবন তাই যাতে আখেরাতে তোমাদের লাভের জীবন হয়, মুক্তি নাজাতের ব্যবস্থা হয়, সে জন্য দুনিয়াতে তোমাদের সে বিষয়ে জ্ঞান লাভ করা প্রয়োজন কেননা যে জিনিসটা লাভের, সেটা জ্ঞানের মাধ্যমে সঠিকভাবে জেনে সে অনুযায়ী আমল করলে তবেই লাভ অর্জিত হয় দুনিয়া তো অস্থায়ী, এখানে আমরা সবকিছু দেখতে পারি,
বুঝতে পারি, বিবেচনা করতে পারি এখানেই যখন উল্টা-পাল্টা কিছু করলে লাভের পরিবর্তে ক্ষতি হয়ে যায়, আখেরাতের বিষয়গুলো তো আমাদের চোখের সামনে নেই, বরং আখেরাতের পুরো জীবনটাই আমাদের দৃষ্টিসীমার বাইরে, বিবেচনা এবং অভিজ্ঞতার বাইরে, সে ক্ষেত্রে তো আরও অধিক ভুল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আর ভুল হয়ে গেলে বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে আখেরাতে তাই বলা হচ্ছে -  'যদি তোমরা না জান, তাহলে জ্ঞানীগণকে জিজ্ঞেস কর'
দীনী মাসআলা-মাসায়েলের ব্যাপারে যদি তোমাদের জানা না থাকে, তাহলে যারা জানে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করে জেনে নাও তাহলে জানাও হবে এবং আমল সহি-শুদ্ধ হবে আর সহি-শুদ্ধ অল্প আমল অশুদ্ধ অধিক আমল অপেক্ষা উত্তম
পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা বলেছেন : 'আর তুমি উপদেশ দাও, উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে' যারা জানে তারা মাসআলা বয়ান করবে আলোচনা-পর্যালোচনা করবে এতে দুটি লাভ হবে এক নম্বর হলো এই যে, অনেকের মাসআলা জানা থাকে, কিন্তু সেটা কাজে পরিণত করার প্রতি আগ্রহ থাকে না কারণ, মাসআলা জানা থাকলেও সেটার গুরুত্ব সে অনুধাবন করতে পারে না তখন বার বার আলোচনা-পর্যালোচনা করার দ্বারা সেটার গুরুত্ব সে অনুধাবন করতে সক্ষম হয়

সূত্র : দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন, লেখক : খতিব, গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদ

Sunday, September 20, 2015

ইসলামের দৃষ্টিতে খাদ্যে ভেজাল ও গুদামজাত

ইসলামের দৃষ্টিতে খাদ্যে ভেজাল ও গুদামজাত

মাওলানা আখতার হোসাইন

ইসলামে বৈরাগ্যবাদের স্থান নেই। কুমারজীবন, দুনিয়াবিমুখতা ও সংসার-বিরাগ অশোভনীয় কাজ। এখানে গিরিগুহা কিংবা মসজিদে বসে আল্লাহর নাম জপ করায় পৌরুষ নেই। বরং জীবনের টানাপড়েন, বাজারের শোরগোল ও কারবারের ব্যস্ততার মধ্যেও আল্লাহকে ভুলে না-যাওয়া পৌরুষের পরিচয়। এই ধর্মে কেবল আল্লাহর স্মরণ ও তাঁর ইবাদতের কথাই বলা হয়নি; বরং নামাজের পর জীবিকা অন্বেষণের প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনের ভাষায়- 'নামাজ সম্পন্ন হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো।' (সুরা জুমা : ১০)

নামাজের পর যে দোয়াটি রাসুল (সা.) বেশি বেশি পড়তেন, তা হলো- 'হে আমাদের প্রভু! আমাদের দুনিয়ায় কল্যাণ দান করো, আর আখিরাতেও কল্যাণ দান করো।' (সুরা বাকারা : ২০১)



অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, 'পরকালীন জীবনে আল্লাহ আপনাকে যা দান করবেন, আপনি তা অনুসন্ধান করুন। কিন্তু পার্থিব জীবনে আপনার ন্যায্য অংশের কথা আপনি ভুলে যাবেন না।' (সুরা কাসাস : ৭৭)

নিজ হাতে কামাই-রোজগার ও হালাল উপার্জনের নির্দেশ কেবল সাধারণ মুসলমানদেরই দেওয়া হয়নি; বরং যুগে যুগে সব নবী-রাসুলগণ এ ব্যাপারে আদিষ্ট ছিলেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, 'হে রাসুলগণ! আপনারা পবিত্র বস্তু ভক্ষণ করুন এবং নেক কাজ করুন।' (সুরা মুমিনুন : ৫১)

ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যুগে যুগে এ নির্দেশনা মোতাবেক নবী-রাসুলগণ নিজেদের জীবনকে পরিচালনা করেছেন। হজরত আদম (আ.) কৃষিকাজ ও তাঁতের কাজ করেছেন। হজরত ইদরিস (আ.) দর্জির কাজ করেছেন। হজরত হুদ ও ছালেহ (আ.) ব্যবসায়ী ছিলেন। হজরত ইব্রাহিম ও লুত (আ.) কৃষি পেশা গ্রহণ করেছিলেন। হজরত শুয়াইব (আ.) পশু বিচরণ করেছেন এবং বাজারে এগুলোর দুধ বিক্রি করতেন। হজরত দাউদ (আ.) লোহা দিয়ে নানা ধরনের যুদ্ধাস্ত্র তৈরি করতেন। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বকরি পালন ও ব্যবসা-বাণিজ্য করেছিলেন।

ইসলামী শরিয়তে নিজ হাতে উপার্জিত খাবার গ্রহণে অধিকতর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। হাদিস শরিফে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেন, 'নিজ হাতে উপার্জিত খাবার থেকে উত্তম কোনো খাবার নেই; আল্লাহর নবী দাউদ (আ.) নিজ হাতে উপার্জিত খাবার খেতেন।' (বুখারি : ২০৭২)

অন্য হাদিসে এসেছে, 'ইমান আনার পর হালাল উপার্জন অন্যতম কর্তব্য।' (শুআবুল ইমান : ৮৩৬৭) মানবজীবনে অর্থ-সম্পদের প্রয়োজনীয়তা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের কারণেই রাসুলুল্লাহ (সা.) হালাল উপায়ে অর্থ উপার্জনের যত পথ ও পন্থা আছে, সেগুলো অবলম্বনে উৎসাহিত করেছেন। কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসুল বলেছেন, 'কোনো মুমিন যখন গাছ লাগায় অথবা কৃষিজ ফসল ফলায়, অতঃপর তা থেকে কোনো পাখি, মানুষ বা পশু আহার করে; সেটি তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হবে।' (বুখারি : ২৩২০)

ব্যবসার ক্ষেত্রে মহানবী (সা.) বলেছেন, 'সততা ও সত্যবাদিতা নিয়ে যারা ব্যবসায় পরিচালনা করবে, তারা কিয়ামতের দিন নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের সঙ্গে উঠবে।' (তিরমিজি)

শিল্প ও সৃষ্টির ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.) একইভাবে উম্মতকে উৎসাহিত করেছেন। সে কারণেই রাসুলের জীবদ্দশায় সাহাবায়ে কেরামের একটা বিরাট দল ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি, কৃষি ও শিল্পে নিজেদের দক্ষতার গুণে বিপুল ধনৈশ্বর্যের মালিক হয়ে গিয়েছিল। তাঁদের কেউ কেউ রাসুলের জবান থেকে জীবদ্দশায় জান্নাতের সুসংবাদও পেয়েছিলেন। হজরত ওসমান (রা.), আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.), সা'দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.)- এ রকম অনেক সম্পদশালী সাহাবির নাম ইতিহাস সংরক্ষণ করেছে। বৈষয়িক কর্মকাণ্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে নয়, বরং হালাল উপায়ে সম্পদসম্ভার উপার্জন করে আল্লাহর নির্দেশিত পথে পার্থিব জীবনে স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণই আসল ধার্মিকতা। তাই তো রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'দুনিয়াটা আখিরাতের শস্যক্ষেত্র।'

রাসুল (সা.)-এর যুগে ব্যবসায়িক কার্যক্রম


রাসুল (সা.) আল্লাহর ইবাদত তথা ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান শিক্ষা ও চর্চা এবং দ্বীনি দাওয়াতের জন্য মদিনায় মসজিদ নির্মাণ করেছেন, তেমনি মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য মদিনায় তিনি ইসলামী বাজার প্রতিষ্ঠা করেছেন। বনু কায়নুকার বাজারটির পরিচালনার দায়িত্বভার তিনি নিজেই নিয়েছিলেন। এ বাজারটির বৈশিষ্ট্য ছিল- এখানে কোনো রকম ধোঁকা-প্রতারণা, ঠকবাজি, মাপে কম-বেশি করার বা পণ্যদ্রব্য মজুদ অথবা আটক করে কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধি করে জনগণকে কষ্ট দেওয়ার সুযোগই ছিল না। হজরত আবু হোরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুল (সা.) একদিন এক বিক্রেতার খাদ্যের স্তূপের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তাঁর হাত ওই খাদ্যের স্তূপে প্রবেশ করান, এতে তাঁর হাত ভিজে গেল এবং অনুপযুক্ত খাদ্যের সন্ধান পেলেন। তখন রাসুল (সা.) ইরশাদ করলেন, 'হে খাদ্য বিক্রেতা! এগুলো কী?' তখন সে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! খাদ্যগুলো বৃষ্টিতে ভিজে গেছে। রাসুল (সা.) ইরশাদ করলেন, 'তুমি এই ভিজা খাদ্যগুলো ওপরে রাখোনি কেন, যাতে সবাই তা দেখে নিতে পারে? যে ব্যক্তি কাউকে ধোঁকা দেবে সে আমার উম্মত নয়।' (মুসলিম : ১০২)

ওজনে কম দেওয়া সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, 'যারা মাপে কম দেয়, তাদের জন্য রয়েছে বহু দুর্দশা, যারা মানুষের কাছ থেকে নেওয়ার সময় পূর্ণ মাত্রায় নেয়, আর যখন অন্যকে ওজন করে দেয় তখন কমিয়ে দেয়। তারা কি চিন্তা করে না, তাদের এক মহা দিবসে জীবিত করে ওঠানো হবে? যেদিন সব মানুষ রাব্বুল আলামিনের সামনে দাঁড়াবে।' (সুরা মুতাফি্ফফীন, আয়াত : ১-৬)

ব্যবসা করা ইসলামে সুন্নত ও সৎকর্ম বলে গণ্য হলেও সব ধরনের ব্যবসা ইসলামে বৈধ নয়। যে ব্যবসায়ে জুলুম, ধোঁকাবাজি, প্রতারণা, ঠকবাজি, মুনাফাখোরি, কালোবাজারি এবং হারাম জিনিস যেমন- মাদকদ্রব্য, শূকর, মূর্তি, প্রতিকৃতি ইত্যাদির ব্যবসা ইসলামে হারাম। নবী করিম (সা.) একদিন সালাতের জন্য বের হয়ে দেখতে পেলেন, লোকজন কেনাবেচা করছে। তখন তিনি তাদের ডেকে বলেন, 'হে ব্যবসায়ী লোকেরা! কিয়ামতের দিন কিছু ব্যবসায়ী মহা পাপীরূপে উঠবে; তবে তারা নয়, যারা আল্লাহকে ভয় করবে, সততা, বিশ্বস্ততা সহকারে ব্যবসা করবে।' (তিরমিজি, হা. ১২১০)

অন্য হাদিসে রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, 'হে ব্যবসায়ীরা! তোমরা মিথ্যা কথা ও মিথ্যা কারবার থেকে অবশ্যই দূরে থাকবে।' (তিবরানি)

পণ্যে ভেজাল মেশানো গর্হিত কাজ


পণ্যে ভেজাল মেশানো আমাদের দেশের অন্যতম সামাজিক অপরাধ। ভেজাল বলতে কেবল পণ্যসামগ্রীতে বর্জ্যপদার্থ, ভিনজাতীয় পদার্থ বা বিষ মেশানোকেই বোঝায় না; বরং ব্যবসায়িক লেনদেন, ক্রয়-বিক্রয়ে বস্তুর দোষত্রুটি গোপন করা, ওজনে কম দেওয়া, মিথ্যা তথ্য দেওয়া, ধোঁকা দেওয়া, আসল কথার বিপরীত করা, ভালোমানের পণ্যে নিম্নমানের পণ্য মিশ্রণ, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি করা ইত্যাদি ভেজালের অন্তর্ভুক্ত। আর সব ধরনের ভেজাল মিশ্রণ ইসলামে হারাম বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, 'হে আহলে কিতাবগণ! কেন তোমরা জেনেশুনে সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে সংমিশ্রিত করছ এবং সত্যকে গোপন করছ।' (সুরা আলে ইমরান : ৭১)

রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, 'যে ব্যক্তি কাউকে ধোঁকা দেবে সে আমার উম্মত নয়।' (মুসলিম : ১০২) তিনি আরো বলেছেন, 'যদি তোমার পণ্যদ্রব্যে কোনো দোষ থাকে, তবে তা কখনো গোপন করবে না। কেননা তা গোপন করলে ব্যবসায় বরকত আসে না।' (বুখারি ও মুসলিম)। অন্য হাদিসে এসেছে, 'যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করে পণ্য বিক্রি করে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে ফিরে তাকাবেন না।' (সহিহ বুখারি)

মজুদদারি ও মুনাফাখোরি সম্পর্কে ইসলামের বিধান


খাদ্যদ্রব্য মজুদ করা অথবা তা বাজার থেকে তুলে নিয়ে দাম বাড়ানো এবং অধিক মুনাফার প্রত্যাশা করাকে ইসলাম অবৈধ করেছে। হানাফি মাজহাব মতে তা মাকরূহে তাহরিমি (হারাম সমতুল্য) হলেও অন্যান্য মাজহাব মতে এটি হারাম। এর ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অনেক মানুষ দুর্গতির মধ্যে পতিত হয়। এ ধরনের কাজ মানুষের কষ্টকে বাড়িয়ে দেয়। তাই ইসলাম এ প্রকার কাজকে হারাম ঘোষণা করেছে। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেন, 'যে ব্যক্তি মুসলমানদের খাদ্যশস্য মজুদ রাখে, আল্লাহপাক তার ওপর দরিদ্রতা চাপিয়ে দেন।' (আবু দাউদ : ৫৫)

ব্যবসায়িক পণ্য বিক্রি না করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বর্ধিত মুনাফা আদায়ের প্রচেষ্টা একটি সামাজিক অপরাধ। রাসুল (সা.) বলেছেন, 'যে খাদ্যশস্য গুদামজাত করে সে অভিশপ্ত।' (ইবনে মাজাহ) তিনি আরো বলেন, 'যে ব্যক্তি ৪০ দিনের খাবার মজুদ রাখে, সে আল্লাহর জিম্মা থেকে বেরিয়ে যায়।' (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ২০৩৯৬) অন্য হাদিসে এসেছে : 'যে ব্যক্তি খাদ্যশস্য গুদামজাত করে সে অপরাধী।' (আল মু'জামুল কাবির : ১০৮৬)

তবে গুদামজাত পণ্য যদি মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু না হয় কিংবা মানুষ এর মুখাপেক্ষী না হয় অথবা এসব পণ্য চাহিদার অতিরিক্ত হয় বা গুদামজাতকারী বর্ধিত মুনাফা অর্জনের অভিলাষী না হয়, তাহলে এসব অবস্থায় পণ্য মজুদ রাখা অবৈধ নয়।

Saturday, September 19, 2015

নামাজ বা সালাতের গুরুত্ব

 নামাজ বা সালাতের গুরুত্ব


নামাজ হলো ঈমানের চার্জ। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আপনি মসজিদে জামাতের সাথে আদায় করার মধ্য দিয়ে আপনার ঈমানকে চার্জ দিতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে ঈমানের এ চার্জকে আপনি কাজে লাগাবেন। অর্থাৎ কর্মক্ষেত্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনি আল্লাহর বিধিনিষেধ মেনে চলবেন। কেননা আল্লাহর আদেশ ও নিষেধ মেনে চলার প্রশিক্ষণ আপনি সালাতের মধ্য দিয়ে অর্জন করেছেন।


ভণ্ড পীর বাবাদের নষ্ট উপাখ্যান



 এবারের বাবা দিবসে বাবার কথা নয়, বাবাদের বাবার কথা বলবো। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, চার যুগের ( সত্য যুগ, ত্রেতা যুগ, দ্বাপর যুগ) শেষ যুগ হলো কলি যুগ বা পাপের যুগ। বেদব্যাস রচিত বিষ্ণুপুরাণে বলা হয়েছে যে কৃষ্ণের পৃথিবী ত্যাগ করে স্বর্গারোহণের সময় থেকে পৃথিবীতে কলি যুগের সূচনা হয়েছে। কলি যুগে পাপের পরিমাণ যেমন পূণ্যের তিনগুণ তেমনি এ সময়ে ঘরের বাবার চেয়ে বাইরের বাবার পরিমাণও শতগুণ। আমাদের চারিদিকে আজ বাবা আর বাবা- বিড়ি বাবা, টাইগার বাবা, হাঁটা বাবা, চুমু বাবা, ফুঁ বাবা, লাঠি বাবা, ল্যাংটা বাবা, শিকল বাবা, পানি বাবা …। বাবারে বাবা, কতো বাবা!